প্রাক-ইসলামি যুগে আরবি ভাষায় কোনো যতিচিহ্ন ছিল না। কোথায় থামতে হবে তা আরবরা নিজস্ব বুদ্ধিবলে বুঝে নিত। পবিত্র কোরআনেও কোনো যবর-যের, নুকতা ও ওয়াকফের চিহ্ন ছিল না। কিন্তু তিন মহাদেশজুড়ে ইসলাম ছড়িয়ে পর...
ইতিহাসের কুখ্যাত শাসক হাজ্জাজ বিন ইউসুফকে অনেকেই এই কৃতিত্ব দেন যে, তিনিই আরবি ভাষায় নুকতা ও যবর-যের-পেশ যুক্ত করেন। আসলে এই ইতিহাসটা সত্য নয়। উলটো কিছু প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার তো এ কথাই প্রমাণ...
প্রাচীনকালেও কী আলিফ-বা-তা-সা (اب ت ث) এভাবেই পড়া হতো? উহুঁ, একদমই না। তখন পড়া হতো আলিফ-বা-জিম-দাল (ا ب ج د)। তাহলে কীভাবে বর্তমান রূপে এলো? আজ আপনাদের সেই গল্পই বলব। আরবি বর্ণমালার বর্তমানে প্রচলিত...
হিজরি প্রথম শতকে পৃথিবীর তিন উপমহাদেশেই যখন ইসলাম ছড়িয়ে পড়ে, দলে দলে অমুসলিমরা ইসলাম গ্রহণ করতে থাকে। মুসলমানদের সৌন্দর্যবোধ তাদের আকৃষ্ট করতে থাকে, আস্তে আস্তে তারা নিজেদের বর্ণমালা ছেড়ে দিয়ে আরবিতে...
পৃথিবীর সব দেশে কি একইভাবে আরবি লেখা হয়? এর উত্তর হলো—না। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন লিপিশৈলীতে আরবি লেখা হয়। তিউনিসিয়ার প্রবীণ ক্যালিগ্রাফি শিল্পী আমের বেনজেদ্দু হজ করতে গেছেন, এমন সময় দেখেন এক নাইজেরিয়ান...
এখন যেমন আমরা কাগজের টাকা ব্যবহার করি, আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে এমন টাকার কথা চিন্তাও করা যেত না। টাকা হবে স্বর্ণ বা রুপার, নিদেনপক্ষে তামার। টাকা আবার কাগজের হয় নাকি, তার বুঝি কোনো মানসম্মান নাই!...